Logo
table-post
দস্যু আতঙ্কে সুন্দরবন, যৌথ বাহিনীর কম্বিং অপারেশন শুরু
01/01/1970 12:00:00

মোংলা প্রতিনিধি

সুন্দরবনে বনদস্যুদের তান্ডপ ও অপহরন আর মারধরে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে সাগরও উপকূলীয় জেলেদের মধ্যে। গত এক সপ্তাহে অন্তত ৫০ জন জেলে অপহৃত হওয়ার ঘটনায় প্রাণেরভয়ে সাগর ও নদীতে মাছ ধরা বন্ধ করে দিয়েছেন প্রায় ২০ হাজার জেলে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জিম্মি জেলেদের উদ্ধার ও দস্যু দমনে সুন্দরবন জুড়ে “কম্বিং অপারেশন” শুরু করেছে যৌথ বাহিনী। আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে এ অভিযান শুরু হরা হয়।

কোস্ট গার্ড ও জেলে মহাজনরা জানান, বনের ওপর নির্ভরশীল সাধারণ জেলেরা বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। অপহরণের পর মারধর সহ মোটা অঙ্কের মুক্তিপণ দাবি করা হচ্ছে, যা দিতে না পারায় অনেক জেলের ওপর চলছে অমানবিক নির্যাতন। এই আতঙ্কে দুবলার চরসহ উপকূলীয় এলাকার কয়েক হাজার ট্রলার ও নৌকা এখন তীরে অলস বসে আছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে সুন্দরবনের দুবলা, হারবাড়িয়া, কোকিলমনি, নন্দবারা ও জোংড়াসহ বনের বিভিন্ন গহীন খালে অভিযান শুরু করে যৌথ বাহিনী। এই বিশেষ কম্বিং অপারেশনে র‌্যাব, কোস্ট গার্ড, নৌবাহিনী ও পুলিশ সমন্বিতভাবে যৌথ বাহিনীর বহু সদস্য এতে অংশ নিয়েছে।

দিনভর বনের বনের বিভিন্ন পয়েন্টে তল্লাশি চালানো হলেও শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কোনো অপহৃত জেলেকে উদ্ধার বা কোনো দস্যুকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে অপহৃত জেলেদের উদ্ধার ও সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত না করা পর্যন্ত এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

দুবলা ফিশারম্যান গ্রæপের পক্ষ থেকে জানায়, সাগরে মাছ ধরার শেষ মৌসুমে দস্যু আতঙ্কে জেলেরা সাগরে মাছ ধরা বন্ধ রাখায় কোটি কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। উপকূলীয় এলাকায় বর্তমানে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। জেলেরা দ্রæত উদ্ধার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন জেলেরা।

@bagerhat24.com