ইউএনওর হস্তক্ষেপে ‘ঈদ উপহার’ মাথা গোজার ঠাঁই পেল সেলিনা
01/01/1970 12:00:00স্টাফ রিপোর্টার
স্বামী পরিত্যক্তা সেলিনা আক্তার (৪০)। ছেলে আপন (১২) ও মেয়ে আয়শাকে (২) নিয়ে তাঁর পরিবার। চেয়ে-চিন্তে ও পরের বাড়িতে কাজ চলে সংসার। ভাসমান মানুষের মত বাস করতেন একটি ঝুঁপড়ি ঘরে। মাস খানেক আগে বিষয়টি নজরে আসে বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ সাজ্জাদ হোসেনের। তিনি উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ সাদ্দাম হোসেনকে সাথে নিয়ে ছুটে যান হিজলা ইউনিয়নের কুড়ালতলা গ্রামে। সেখানে গিয়ে দেখতে পান একটি ঘরের অভাবে সেলিনা আক্তার তাঁর দুটি শিশু সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাজ্জাদ হোসেন চেষ্টা করে সেলিনা ও তাঁর দুটি শিশু সন্তানের মাথা গোজার জন্য একটি টিনের ঘর নির্মান করে দেন। সেই ঘর ঈদের উপহার হিসেবে বুধবার (১৮) মার্চ বিকেল ৪ টায় সেলিনা ও তাঁর শিশু সন্তানদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
এ সময় অন্যান্যর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ সাদ্দাম হোসেন, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মোঃ কামরুজ্জামান খান পিকলু, চিতলমারী প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ একরামুল হক মুন্সি, চিতলমারী উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সেলিম সুলতান সাগর ও শিক্ষক জাহাঙ্গীর হোসেন বিন্দু।
ঘর পেয়ে আনন্দে আত্মহারা সেলিনা আক্তার বলেন, ‘আমার মাথা গোজার ঠাঁই ছিলনা। কলাপাতার ছাউনির ঝুঁপড়ি ঘরে রয়েছি। স্যার আমাকে মাথা গোজার ঠাঁই করে দিয়েছেন। আমি স্যারদের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া কামনা করছি।
চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘বিষয়টি নজরে আসার পর সরেজমিনে দেখলাম সেলিনা ও তাঁর শিশুরা ঘর অভাবে চরম মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। আমি যতদুর সম্ভব চেষ্টা করেছি ওদের একটু মাথা গোজার ঠাঁই করার জন্য।’
