মোংলা বন্দরে যথাযথ মর্যাদায় পালিত হলো মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস
01/01/1970 12:00:00মাসুদ রানা, মোংলা
২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস, ২০২৬ উপলক্ষ্যে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের মধ্য দিয়ে ৫৬ তম স্বাধীনতা দিবস যথাযথ মর্যাদার সাথে উদযাপন করেছে।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের বোর্ড ও জনসংযোগ বিভেগের উপ পরিচালক মোঃমাকরুজ্জামান এক প্রেস নোটে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
প্রেস নোটে আরো জানান,বন্দরে জাতীয় পতাকা ও বন্দরের পতাকা উত্তোলন, নৌযানসমূহ জাতীয় পতাকা দ্বারা সজ্জিতকরণ, কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বন্দরের জাহাজসমূহ সকাল ১০:০০ ঘটিকা হতে সন্ধ্যা ০৬:০০ ঘটিকা পর্যন্ত জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রাখা, মোংলা বন্দর হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের উন্নতমানের খাবার পরিবেশনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়াও সকাল ০৯:৩০ ঘটিকায় কর্তৃপক্ষের সভাকক্ষে অবসরপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে ।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) কমডোর মোঃ শফিকুল ইসলাম সরকার। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রকৌশল ও উন্নয়ন) (যুগ্মসচিব) ড. এ. কে. এম. আনিসুর রহমান, সকল বিভাগীয় ও উপ-বিভাগীয় প্রধান, বন্দরের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, মবক’র অবসরপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন ও সিবিএ-র নেতৃবৃন্দ।
প্রধান অতিধির বক্তব্যে বন্দর চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) বলেন বাঙালি জাতির শৌর্যবীর্য, ত্যাগ ও বীরত্বের এক অবিস্মরণীয় দিন। বিশ্ব মানচিত্রে ‘বাংলাদেশ’ নামক একটি স্বাধীন ভূখণ্ডের আত্মপ্রকাশের দিন। আজ আমি গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি মহান মুক্তিযুদ্ধে অত্মোৎসর্গকারী সেইসব বীর শহীদদের, যাদের সর্বোচ্চ ত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি এই লাল-সবুজের পতাকা। বীর মুক্তিযোদ্ধা, সম্ভ্রমহারা মা-বোন, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও সমর্থকদের। পরম শ্রদ্ধা জানাই সেইসব যুদ্ধাহত ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের প্রতি, যাদের অপূরণীয় ক্ষতির বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে আমাদের মহান বিজয়। তাদের এই ঋণ কোনোদিন শোধ হওয়ার নয়। বীর মুক্তিযোদ্ধারা দেশের জন্য জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছেন বলে দেশ স্বাধীন হয়েছে। দেশ স্বাধীন হয়েছে বলে ৫৬ বছরে দেশের প্রবৃদ্ধির সাথে বাংলাদেশ এগিয়ে গিয়েছে, এ উন্নয়নের ছোঁয়া মোংলা বন্দরেও পড়েছে। মোংলা বন্দরের এই উন্নয়নকে আরো বেগবান করতে এবং দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে বন্দরের প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে বন্দরকে এগিয়ে নিতে হবে।
পরিশেষে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন, মুক্তিযোদ্ধাদের সুসাস্থ্য কামনাসহ জাতির শান্তি ও বন্দরের অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
