Logo
table-post
চিতলমারীতে মাদ্রাসার সহকারি অধ্যাপক হাতুড়ি পেটায় আহত
01/01/1970 12:00:00

চিতলমারী প্রতিনিধি
চিতলমারী উপজেলার বড়বাড়িয়া রহমানীয়া ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার সহকারি অধ্যাপক মোঃ রফিকুল ইসলামকে (৪৫) হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) বেলা ১১ টার দিকে মাদ্রাসার অফিস কক্ষে তিনি এ মারপিটের শিকার হন। আহত শিক্ষককে সহকর্মিরা উদ্ধার করে চিতলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছেন। সহকারি অধ্যাপক মোঃ রফিকুল ইসলাম বর্তমানে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তৃতীয় তলায় ১ নং বেডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় বুধবার দুপুরে বড়বাড়িয়া রহমানীয়া ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার অধ্যক্ষ বাদী হয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে মৈজোড়া গ্রামের আবুল কালাম শেখের ছেলে মোঃ রাসেল শেখকে বিবাদী করা হয়েছে।  

বড়বাড়িয়া রহমানীয়া ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোঃ মাশুকুর রহমান বলেন, ‘মৈজোড়া গ্রামের আবুল কালম শেখের ছেলে মোঃ রাসেল শেখ সুযোগ পেলেই মাদ্রাসার অস্থাবর জিনিসপত্র চুরি করে নিয়ে যায়। আমরা তাকে নিষেধ করায় সে দীর্ঘদিন ধরে আমাদের হুমকি প্রদান করে আসছিল। বুধবার বেলা ১১ টার দিকে সে মাদ্রাসার অফিস কক্ষে ঢুকে মাদ্রাসার কাগজপত্র ও মালামাল ফেলতে থাকে। এ সময় তাকে নিষেধ করলে তার হাতে থাকা হাতুড়ি দিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে সহকারি অধ্যাপক মোঃ রফিকুল ইসলামকে গুরুতর আহত করে। পরে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা এগিয়ে আসলে রাসেল শেখ হুমকি দিয়ে চলে যায়। আমরা আহত শিক্ষককে উদ্ধার করে চিতলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।’

এ ব্যাপারে রাসেল শেখর বাবা আবুল কালম শেখ হাতুড়ি পেটার কথা অস্বীকার করে জানান, সম্প্রতি মাদ্রাসায় ৩টি পদে নিয়োগ নিয়ে তার ছেলের সাথে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের বিরোধ ছিল। সেই বিরোধকে কেন্দ্র করে বুধবার অফিস কক্ষে তুচ্ছ ঘটনা ঘটেছে।  

চিতলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ নজরুল ইসলাম বলেন, ‘খবর পেয়ে হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সাথে দেখছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’ 
 

@bagerhat24.com