ফকিরহাটে চুরি হওয়া ১১টি গরু উদ্ধার: পিকআপ সহ আটত-৩
01/01/1970 12:00:00ফকিরহাট প্রতিনিধি
ফকিরহাটে চুরি হওয়া ১১টি ছোট-বড় গরু উদ্ধার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় চোরাইকৃত গরু পরিবহনে ব্যবহৃত একটি পিকআপ জব্দ করা হয়েছে। একই সঙ্গে আন্তঃজেলা গরু চোর চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বাগেরহাটের পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ভোররাত ৩টা ৪০ মিনিটে খুলনার তেরখাদা উপজেলার বারাসাত ইউনিয়নের কাটেঙ্গা গ্রামে অভিযান চালিয়ে গরুগুলো উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া গরুর আনুমানিক মূল্য প্রায় ১০ লাখ টাকা।
পুলিশ জানায়, ফকিরহাট থানার একটি চুরির মামলার তদন্তে প্রকাশিত আসামি ইমরান শেখ (৪০) ও নাহিদ শেখ (২৭) কে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে রিমান্ডে নেওয়া হয়। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রথমে ফকিরহাট উপজেলার শিউলি ফিলিং স্টেশন এলাকা থেকে চোরাইকৃত গরু পরিবহনে ব্যবহৃত খুলনা মেট্রো-ন-১১-২০২২ নম্বরের একটি পিকআপ উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী খুলনার তেরখাদা উপজেলার কাটেঙ্গা গ্রামের আরিফ মোল্লার বাড়িতে অভিযান চালায় ডিবি পুলিশ। সেখানকার গোয়ালঘর থেকে চুরি হওয়া ১১টি গরু উদ্ধার করা হয়।
এ সময় চোরাইকৃত গরু সংরক্ষণের অভিযোগে আরিফ মোল্লা (৩৮) কে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন ফকিরহাট উপজেলার শ্যামবাঘাত গ্রামের ইমরান শেখ (৪০), রামপাল উপজেলার সোলাকড়া দক্ষিণপাড়া গ্রামের নাহিদ শেখ (২৭) এবং খুলনার তেরখাদা উপজেলার কাটেঙ্গা গ্রামের আরিফ মোল্লা (৩৮)। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ইমরান শেখের বিরুদ্ধে হত্যা, সঙ্গোপনে গৃহে প্রবেশ, চোরাই মাল গ্রহণ, বিশেষ ক্ষমতা আইন ও মারামারিসহ ছয়টি নিয়মিত মামলা এবং একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) রয়েছে। নাহিদ শেখের বিরুদ্ধে ডাকাতির প্রস্তুতি, চোরাই মাল গ্রহণ ও চুরির অভিযোগে তিনটি মামলা রয়েছে। আরিফ মোল্লার বিরুদ্ধে চোরাই মাল গ্রহণ ও মারামারির দুটি মামলা রয়েছে।
বাগেরহাটের পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার বলেন, ফকিরহাটের চুরির মামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। চক্রটির সদস্যদের গ্রেপ্তার করে চুরি হওয়া গরু ও ব্যবহৃত পিকআপ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
