Logo
table-post
মোংলায় মাদকবিরোধী টাস্কফোর্সের পৃথক অভিযানে ৩ মাদক ব্যবসায়ীর সাজা
01/01/1970 12:00:00

মাসুদ রানা,মোংলা 

মোংলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (জেলা কার্যালয়, বাগেরহাট), আনসার বাহিনী এবং উপজেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত মাদকবিরোধী টাস্কফোর্স অভিযানে তিন মাদকসেবী ও ব্যবসায়ীকে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। 

 

বুধবার (১২ আগস্ট ২০২৬) সকাল থেকে মোংলা  উপজেলার দিগরাজ, বৈরাগীখালী ও পৌর শহরের  রাতারাতি কলোনী এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের আটক ও দণ্ড প্রদান করা হয়।

 

মোংলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ মাধ্যমে এ সাজা প্রদান করেন শারমিন আক্তার সুমী 

 

 আদালতের মামলা সূত্রে জানা যায়: মোংলা পৌর শহরের ৬ নং ওয়ার্ডে সকাল ১১  টায়  রাতারাতি কলোনী এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোঃ জুয়েল সরদার (৩০)কে  ইয়াবাসহ আটক করা হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিদর্শক মোঃ আমিরুল ইসলামের দাখিলকৃত প্রসিকিউশনের ভিত্তিতে তাকে ০৬ (ছয়) মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

 

সকাল সাড়ে ৯ টায়   বৈরাগীখালী এলাকায় অভিযান চালিয়ে গাঁজাসহ রাহুল বিশ্বাস (৩৫)কে  গ্রেফতার করা হয়। জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিদর্শক বিজয় কুমার মজুমদারের প্রসিকিউশনে তাকে ১৫ (পনের) দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

 

 সকাল সাড়ে ৮ টায়  মোংলা দিগরাজ এলাকা থেকে গাঁজাসহ লিপন কুমার মন্ডল (৪০)কে  আটক করা হয়। জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক এস, এম, জাফরুল আলমের দাখিলকৃত প্রসিকিউশনে তাকে ০৭ (সাত) দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

 

জেলা মাদকদ্রব্য  নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান জানান, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে মোংলা এলাকায় এ ধরণের টাস্কফোর্স ও মোবাইল কোর্টের ধারাবাহিক অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 

মোংলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট  শারমিন আক্তার সুমী বলেন, মরণ নেশা ইয়াবা, গাঁজা সহ বিভিন্ন 

মাদক একটি জাতির মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়ার মতো মারাত্মক নেশা । যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে এবং সমাজে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে মাদকবিরোধী অভিযান ও কঠোর আইনি পদক্ষেপ অত্যন্ত জরুরি।  প্রশাসন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের  এমন সাহসী ও নিয়মিত উদ্যোগ অপরাধীদের মনে ভয় সৃষ্টি করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। 

 

মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি প্রয়োজন পরিবার ও সমাজের সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়া প্রয়োজন। 

 

@bagerhat24.com